কেন দয়ালু হব

দয়ালু হওয়ার পাঁচটি দরজা · সদর দরজা · ফিল্মে

ধর্মের পরে বাঁচা, ফিল্মে

বইটি পড়ো, অথবা দেখো। পনেরোটি ফিল্ম, সব মিলিয়ে ২৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড, G-র কণ্ঠে।

পনেরোটি অধ্যায়ের প্রতিটির জন্য একটি করে ফিল্ম। প্রতিটি মোটামুটি দুই মিনিটের। প্রতিটি ফিল্মের নিচে, কয়েকটি বাক্যে অধ্যায়টি, আর অধ্যায়টিতে যাওয়ার পথ। একটার পর একটা দেখো, আর আধ ঘণ্টারও কম সময়ে তুমি পুরো বইটি পেরিয়ে আসবে। অথবা বইটি পড়ো, আর ছবিগুলোর জন্য এখানে এসো।

বইটি পড়ো

সাউন্ড চালু করো। এখানে সেগুলো রইল, যার যার অধ্যায়ের সঙ্গে।

প্রথম অধ্যায় · ১ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড

চোখ এড়ানো লাফ

মানুষ এক নীরব, নাছোড় অনুভূতি নিয়ে জীবন পার করে। আছি আমি। আর আছে যা আমি নই। আলাদা থাকা কোনো ভুল নয়। এটা টিকে থাকার একটা কৌশল। কিন্তু কৌশল আর সত্য এক জিনিস নয়। আমি বালিতে একটা রেখা টানতে পারি, তাতে বালি দুটো আলাদা পদার্থ হয়ে যায় না। রেখাটা বাস্তব। বালি এক।

ফিল্ম। একা একজন নারী। একটা লাল রেখা: এক পাশে “আমি”, অন্য পাশে “আমি নই”, একজন লোক, একটি শিশু, একটি কুকুর আর একটি গাছ। সবকিছুর ওপর নাম বসানো: গাছ, আকাশ, মানুষ, অচেনা, আমার, তোমার। বালিতে টানা একটা লাল রেখা।

অধ্যায়টি পড়ো

দ্বিতীয় অধ্যায় · ১ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড

জগতের ভেতরে ঈশ্বর

মানুষের আদি ইতিহাসের বেশির ভাগ সময় পবিত্রকে দূরের কিছু বলে অনুভব করা হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঈশ্বর ওপরের দিকে সরে গেলেন। ঈশ্বরকে যখন জগতের বাইরে বসানো হয়, তখন একটা বিভাজন ঢুকে পড়ে। একজন কুমোর হাঁড়িটা ফেলে চলে যেতে পারে। ঈশ্বর যদি সবখানে আর সবকিছুর মধ্যে থাকেন, তবে চলে যাওয়ার কোনো জায়গাই নেই। আমি মহাবিশ্বে এসে পৌঁছাইনি। আমি এর ভেতর থেকেই বেরিয়ে এসেছি।

ফিল্ম। গাছের নিচে একজন লোক সূর্যকে একটা মুখ দেয়। সূর্য লাল হয়ে ওপরে উঠে যায়, একটা লাল রেখার ওপরে: এখানে স্রষ্টা, ওখানে সৃষ্টি। একটা হাঁড়ি, আর সেই কুমোর, যে হাঁড়িটা ফেলে চলে যেতে পারে। শেষে, একটা লাল “আমি”।

অধ্যায়টি পড়ো

তৃতীয় অধ্যায় · ১ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড

এক জিনিস, অনেক রূপ

জগৎ যদি এক জিনিস হয়, তবে তাকে অনেক জিনিস বলে মনে হয় কেন? যে মরুভূমি দানাটিকে তৈরি করেছে, তার থেকে আলাদা হয়ে কোনো দানা থাকে না। দানাটা বাস্তব। মরুভূমি বাস্তব। তাদের মাঝখানের বিচ্ছেদটা বাস্তব নয়। কেউই অন্য কারও চেয়ে উৎসের বেশি কাছে নয়। স্বাধীনতা মানে সীমাহীন বেছে নেওয়া নয়। এটা হলো সাড়া দেওয়া। একত্ব ক্ষতির অজুহাত নয়।

ফিল্ম। বালিয়াড়ি, আর লাল বৃত্তে ঘেরা একটি দানা। চারজন মানুষ, কেউই মাঝখানে নয়। এক সূর্যের নিচে জানালায় ভরা একটা দালান, প্রতিটি জানালা লাল আলোয় জ্বলছে। পাহাড় বেয়ে একটা পাথর গড়িয়ে নামে; পাহাড় বেয়ে হেঁটে নামা একজন লোক থেমে বসে পড়ে।

অধ্যায়টি পড়ো

চতুর্থ অধ্যায় · ২ মিনিট ২ সেকেন্ড

দয়ালু হওয়া কেন কাঠামোগত

আগুনে হাত দেওয়া থেকে তোমাকে থামাতে কোনো নিয়ম লাগে না। আগুনের স্বভাবই যথেষ্ট। সহমর্মিতাও একইভাবে কাজ করে। একই জগৎ ভাগ করে থেকে অন্য একজন মানুষের ক্ষতি করা যেন আমার বাঁ হাত দিয়ে আমার ডান হাতকে আক্রমণ করা। আঘাতটা লাগে চামড়ার দুই দিকেই। জ্যামিতি তোমার উদ্দেশ্যের পরোয়া করে না। সে মাপে তোমার প্রভাব।

ফিল্ম। নিয়ম লেখা দুটো সাইনবোর্ড। এমন এক আগুনের পাশে একজন লোক, যার জন্য তার কোনো নিয়ম লাগে না। একটা বৃত্তের ভেতরে, একজন লোকের বাঁ হাত তার ডান হাত চেপে ধরে, লাল রঙে। দুজন মানুষ, প্রত্যেকে একটা করিডরে, আর দুটোর ওপর দিয়েই টানা একটাই রেখা।

অধ্যায়টি পড়ো

পঞ্চম অধ্যায় · ১ মিনিট ৫৪ সেকেন্ড

স্থাপত্য

প্রশ্নটা এই নয় যে নিয়ম দরকার কি না। প্রশ্নটা হলো, সেগুলো আসে কোথা থেকে। সম্ভাব্য উত্তর দুটো। মাত্র দুটো। স্থাপত্য A হলো কর্তৃত্ব-ভিত্তিক নৈতিকতা। নিয়মগুলো বাস্তবতার কাঠামো থেকে বের করে আনা নয়। সেগুলো তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া। যে ব্যবস্থা ভুল স্বীকার করতে পারে, সে ভুল শোধরাতে পারে। যে ব্যবস্থা ভুল স্বীকার করতে পারে না, সে কেবল আরও তীব্র হতে পারে।

ফিল্ম। A আর B। A-র নিচে এক দেবতা ঘোষণা করছেন, এক নবী লিখছেন, একটি বই, একটি মন্দির। B-র নিচে একজন মানুষ মাটিকে পড়ছে। ঘোষণা, অনুলিখন আর ব্যাখ্যার মিনারটি লাল রঙে ফেটে যায়, আর তার নিচের মানুষদের ওপর ভেঙে পড়ে। A-র নিচে বিশ্বাস আর সন্দেহ; B-র নিচে পরীক্ষা আর ভুল।

অধ্যায়টি পড়ো

অধ্যায় ছয় · ১ মিনিট ৫১ সেকেন্ড

গ্রন্থের ভেতরে ছুরি

স্থাপত্য ছেঁকে ফেলে না। স্থাপত্য বাড়িয়ে তোলে। তোমাদের শত্রুদের ভালবেসো, আর যারা তোমাদের উপর অত্যাচার করে তাদের জন্য প্রার্থনা কোরো। আমি শান্তি দিতে আসি নি, বরং তলোয়ার দিতে এসেছি। দুটো পাঠই গ্রন্থের প্রতি বিশ্বস্ত, কারণ গ্রন্থে দুটোই আছে। ভারা ছুরিটাকে সরাতে পারে না, কারণ ছুরি সরালে ভারাটাই মরে যাবে। কিন্তু ড্রয়ারে রাখা ছুরি সুপ্ত। কিছু একটাকে সেটা তুলে নিতে হয়।

ফিল্ম। একটি খোলা বই, তার পাতায় একটি হৃদয়, আর সেই একই পাতায় একটি লাল ছুরি। দুজন মানুষ সেটা পড়ছে, দুই পাশে একজন করে। বিমের একটি দেয়াল, তার ভেতরে লাল বিস্ফোরক। ছুরিটা একটি ড্রয়ারে রেখে দেওয়া হয়, আর ড্রয়ারটা বন্ধ করা হয়।

অধ্যায়টি পড়ো

অধ্যায় সাত · ২ মিনিট ১০ সেকেন্ড

প্রক্রিয়া

ভাগ করাটা জৈবিক। রেখাটা পবিত্র হয়ে ওঠে। ভাগ করাটা পুণ্য হয়ে ওঠে। পরিচয় যখন মিশে এক হয়ে যায়, তখন সমালোচনা হয়ে ওঠে আক্রমণ, আর প্রশ্ন তোলা হয়ে ওঠে ধর্মনিন্দা। ভারা বাইরের দলকে কাঠামোগতভাবে নিচু বলে দাগিয়ে দেয়। যে মানুষ ঈশ্বরের জন্য হত্যা করে, সে বিশ্বাস করে যে সে ভালো কাজ করছে। ভারা নৈতিকতাকে চাপা দেয় না। ভারা নৈতিকতাকে ছিনতাই করে।

ফিল্ম। একজন মানুষ, আর তার শরীর যে রেখা টানে: নিজ, অপর। তাকে দেওয়া নামগুলো। একটি বৃত্তের ভেতরে তিনজন মানুষ, আর তার চারপাশে বাইরের সবার জন্য শব্দগুলো। জ্যোতির্বলয় আর একটি লাল ছুরি নিয়ে একজন মানুষ। সাতটি গিয়ার, ঘুরছে, আর মাটিতে একটি লাশ।

অধ্যায়টি পড়ো

অধ্যায় আট · ২ মিনিট ১২ সেকেন্ড

রেকর্ড

এই অধ্যায়ের কণ্ঠ যুক্তি নয়। এটা পাটিগণিত। নয়টি বড় ক্রুসেড। দশ লাখ থেকে তিরিশ লাখ মৃত। ভারা রবিবার ছাদ ধরে রেখেছিল। ভারা সোমবার ছুরি ধরে রেখেছিল। পণ্ডিতদের দেওয়া পরিসরে গুনলে মৃতের সংখ্যা কয়েক কোটিতে গিয়ে দাঁড়ায়। কয়েক কোটি জানালা। প্রতিটি একটি দৃষ্টিকোণ। প্রতিটি আর দ্বিতীয়বার হয় না।

ফিল্ম। গোনার দাগের একটি কলাম: জেরুজালেম, ১০৯৯। নয়টি ক্রুসেড। দুজন মানুষ, তাদের মাঝখানে একই বই। লাল নিশানা-চিহ্নের মাঝে একজন মানুষ। জানালায় ভরা একটি দালান, লাল রঙে একটা একটা করে বন্ধ হচ্ছে।

অধ্যায়টি পড়ো

অধ্যায় নয় · ২ মিনিট ৩ সেকেন্ড

পাল্টা পরীক্ষা

বক্তৃতামঞ্চে একজন মানুষ। সে ঈশ্বরের দোহাই দেয় না। সে ইতিহাসের দোহাই দেয়। সে বিজ্ঞানের দোহাই দেয়। সে পার্টির দোহাই দেয়। কর্তৃত্ব বদলেছে। লাশ বদলায়নি। বিংশ শতাব্দী দেখিয়ে দিয়েছে যে স্থাপত্য A সর্বত্র বিপজ্জনক। লাশের সংখ্যাই প্রমাণ। স্থাপত্যই কারণ।

ফিল্ম। বক্তৃতামঞ্চে একজন মানুষ। তার ওপরের শব্দটা বদলায়, ঈশ্বর, তারপর পার্টি, আর মাটিতে পড়ে থাকা লাশটা বদলায় না। পাঁচটি ধাপ, একটির ওপর আরেকটি। ছাদ আর ছুরি দুটোই ধরে রাখা একটি ভারা, তার পাশে আরেকটি, যা শুধু ছুরি ধরে রাখে। একটি লাল ফ্রেমের নিচে মৃতদের একটি সারি।

অধ্যায়টি পড়ো

অধ্যায় দশ · ১ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড

তুমি কি নিশ্চিত?

ছয়টি লাশ। ছয়টি সাধারণ সকাল। কর্তৃত্ব প্রতিবার বদলেছে। লাশ একবারও বদলায়নি। সবসময় সেটা ছিল নিশ্চয়তা। তুমি যা বিশ্বাস করো, তার নাম বলো। যে বিষয়ে তুমি সবচেয়ে নিশ্চিত। এবার তার সামনে মাটিতে একটি লাশ রাখো। লাশটার দিকে তাকাও। তারপর বিশ্বাসটার দিকে তাকাও। বিশ্বাসটা কি লাশটার সমান দামি?

ফিল্ম। মাটিতে ছয়টি লাশ, আর তাদের ওপরে ছয়টি কর্তৃত্ব। স্রেব্রেনিৎসা, ১৯৯৫: একজন মা, তার সন্তানেরা, একজন সৈনিক ইশারা করছে। আগস্ট ১৯৪৭: একটি বেঞ্চে একটি পরিবার। একটি গাড়ির পাশে হাত তুলে দাঁড়ানো একজন মানুষ। তারপর তুমি যা বিশ্বাস করো সেটা, একটি ফ্রেমের ভেতরে লাল প্রশ্নচিহ্ন, মাটিতে পড়ে থাকা একটি লাশের ওপরে।

অধ্যায়টি পড়ো

অধ্যায় এগারো · ১ মিনিট ৪১ সেকেন্ড

গোঁড়ামি ছাড়া অর্থ

কেউ যখন আদেশ দিচ্ছে না, তখন অর্থ আসে কোথা থেকে? সেটা হারিয়ে যায় না। সেটা জায়গা বদলায়। ওপর থেকে আমার পায়ের নিচে। যেখানেই প্রভাব আছে, সেখানেই অর্থ দেখা দেয়। আগুনের পরে বনের মাটির কথা ভাবো। পুরোনো গাছগুলো আর নেই। কিন্তু ফাঁকা জায়গাটাতেই নতুন জিনিস জন্মায়। মাটিই প্রথমে ছিল। তা থেকে যা জন্মায়, তা তোমার।

ফিল্ম। একটি লাল প্রশ্নচিহ্ন আকাশ থেকে নেমে আসে এক নারীর পায়ের কাছে মাটিতে। একজন মানুষ আরেকজনের হাতে ধার তুলে দেয়। আগুনের পরে বনের মাটি। একটি ফুলের পাশে একজন মানুষ। ভারাটা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে, আর তার পাশে একটি ফুল জন্মায়।

অধ্যায়টি পড়ো

অধ্যায় বারো · ২ মিনিট ৫ সেকেন্ড

চূড়ান্ত নৈতিকতা

একটি আয়না কল্পনা করো — নিখুঁত, অটুট। এবার একটিমাত্র ফাটলসহ সেই একই আয়নাটি কল্পনা করো। ফাটলটি সত্যি। আর ফাটলটিতেই সবকিছুর শুরু। একটি আজ্ঞা বলে: দয়ালু হও, কারণ আমি তোমাকে বলেছি। প্রতিপাদন বলে: দয়ালু হও, কারণ ফেরানো যায় না এমন প্রবাহের মধ্যে যুক্ত জীবনগুলোর জ্যামিতি আর কোনো স্থিতিশীল আচরণ তৈরি করে না। প্রথমটির নতুন ব্যাখ্যা করা যায়। দ্বিতীয়টির যায় না।

ফিল্ম। একটি আয়না, আর একটিমাত্র লাল ফাটল। দুজন মানুষ, আর একজন থেকে অন্যজনের দিকে একটি লাল রেখা। প্রত্যেকে দাঁড়িয়ে আছে লাল রেখার একটি করিডরে। দুটি যন্ত্র, একসঙ্গে যুক্ত। একটি বেদি থেকে একটি আজ্ঞা, তার পাশে একটি প্রতিপাদন, তিনের একটি ত্রিভুজ হিসেবে আঁকা।

অধ্যায়টি পড়ো

অধ্যায় তেরো · ১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড

সাধু না সেজে সংশোধন

ক্ষতি যদি সহজাত মন্দ থেকে নয়, বিভ্রান্তি থেকে আসে, তাহলে নৈতিক শ্রেষ্ঠত্ব অসংগত হয়ে পড়ে। এতে ক্ষতি মাফ হয়ে যায় না। এটা প্রতিক্রিয়াকে বদলায়। সরিয়ে দেওয়া ন্যায়বিচার নয়। সেটা হারানো। দালানটি যে জানালাই বন্ধ করে, তাতেই সে ছোট হয়ে যায়। আমার ভালো হওয়ার দরকার নেই। আমার দরকার ক্ষতির ব্যাপারে সৎ থাকা, আর তা মেরামত করতে রাজি থাকা।

ফিল্ম। একজন মানুষ, আর তার ওপরে একটি বাক্সের ওপর দাঁড়ানো এক নারী। পাঁচ ধাপের একটি মই: কথাবার্তা, মধ্যস্থতা, আলাদা করা, সীমা বেঁধে দেওয়া, সরিয়ে দেওয়া। জানালায় ভরা একটি দালান, তার একটি জানালা লাল রেখায় কেটে দেওয়া। একটি বাঁকা রেখা, গতিপথ, তার শেষে একজন মানুষ।

অধ্যায়টি পড়ো

অধ্যায় চোদ্দো · ১ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড

কম্পাস হিসেবে শরীর

নির্দেশ নয়। দিশা। কম্পাস দিক দেখায়। আমি হাঁটি। যা তুমি দেখবে না, তাকে তুমি ঠিক রাখতে পারবে না। শরীরই কম্পাস। তাকে বিশ্বাস করো। শরীর সবসময় ঠিক বলে নয়। শরীর সবসময় এখানে আছে বলে। আর এখানেই একমাত্র জায়গা, যেখান থেকে আমি কাজ করতে পারি।

ফিল্ম। এক নারী হাঁটছে, আর একটি কম্পাস দিক দেখাচ্ছে। চারটি ডায়াল, একটি একটি করে: চালু থাকার সময়, আওয়াজের নিম্নসীমা, ভারের সীমা, সেরে ওঠার সময়। তাদের ওপরে আরও একটি: একটি বৃত্তের ভেতরে একটি চোখ। ঘুমাও। নড়াচড়া করো। খাও। আবার কম্পাসটি, ওপরের দিকে দেখাচ্ছে।

অধ্যায়টি পড়ো

অধ্যায় পনেরো · ১ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড

“অপর” ছাড়া বাঁচা

পার্থক্য থেকে যায়। দূরত্ব গলে যায়। আত্মসমর্পণ ছাড়াই শোনা সম্ভব হয়ে ওঠে। অবজ্ঞা ছাড়াই আমি সীমা টানতে পারি। কিন্তু ঘৃণা মিলিয়ে যায়। চাপা দেওয়া হয় বলে নয়। এর আর কোনো মানে থাকে না বলে। “অপর” ছাড়া বাঁচা মানে সাধু হয়ে ওঠা নয়। এর মানে সুসংগত হয়ে ওঠা। এই বই শুধু সেটার নাম দিয়েছে, যা তুমি আগে থেকেই ছিলে।

ফিল্ম। এক নারী আর এক পুরুষের মাঝে একটি লাল রেখা, আর সেই রেখা তাদের মাঝখানে মাটিতে নামিয়ে রাখা। এক লাল সূর্যের নিচে বালিয়াড়িতে সেই চারজন। ভারা হয়ে ওঠে মাটি, কর্তৃত্ব হয়ে ওঠে স্বতঃসিদ্ধ, আদেশ হয়ে ওঠে প্রতিপাদন। ভারা মাটিতে সমান হয়ে শুয়ে থাকে।

অধ্যায়টি পড়ো

প্রতিটি ফিল্ম তা-ই বলে, যা তার অধ্যায় বলে, অধ্যায়েরই নিজের কথায়। পাতার কথা আর ফিল্মের কথা একই লেখা। কখনো যদি দুটো আলাদা হয়, iam@whybekind.org-এ লেখো।

এই একই ফিল্ম, ব্রোঞ্জের সাজে, পেছনের পদার্থবিজ্ঞানসহ, আছে the420code.org-এ।